বিয়ের বয়স-সবাই যেটা নিয়ে ভাবে

প্রাপ্তবয়স্ক একটি ছেলে বা মেয়ে জীবনের যে-কোন পর্যায়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যদি সে মনে করে বিয়ের জন্য শারিরীক,মানসিকভাবে সে প্রস্তুত এবং বিবাহিত জিবনের দায়িত্ব নেয়ার সামর্থ্য তার আছে।
মনে রাখতে হবে বিয়েটা শুধু ৈজবিক চাহিদা পূরণের উপায় নয়,শুধু হানিমুন বা রোমান্টিকতা নয়; বরং বিয়ে হচ্ছে একটি দায়িত্ব।
এ দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত মনে করলেই কেবল একটি ছেলে বা মেয়ে তার যে- কোন বয়সে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
তবে সেই সাথে কবে বিয়ে করবেন সেই বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ।

সত্যিকারের সুখী আনন্দপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য একটি ছেলে বা মেয়ের তাকেই বিয়ে করা উচিত যাতে সে সম্মান করতে পারে, সহযোদ্ধা মনে করতে পার, যে তার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে মনে করতে পারে এবং তার জন্য সবকিছু বিসর্জন দিতে পারে।

তাই বিয়ের জন্য শুধু সৌন্দর্য বা অর্থবিত্ত বা উচ্চ ডিগ্রী নয়; ভালো মানুষ খুঁজতে হবে যার সাথে চেতনার মিল আছে এবং জীবনের পরেও আপনার মহাজাগতিক জীবোণে আপনার সংঙ্গী হতে পারবেন।

 

পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়ে কেউ বিয়ে করতে পারে না কারণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠার কোন শেষ নাই। একটা লক্ষ্যে পৌছার পর মনে হতে পারে আর আপনার আরেকটা লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে তারপর আবার।অর্থাৎ এটা একটা নিরন্তর প্রয়াস। এর সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্পর্কের চেয়ে বিয়ের প্রয়োজনের অনুভবের সম্পর্কটাই বেশি। অর্থাৎ কেউ যদি প্রয়োজন অনুভব করেন তাহলে যেকোনো সময়ই তিনি বিয়ে করতে পারেন। আপনাদের ক্ষেত্রে যে পরামর্শটি হলো আপনার নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি যদি  আপনার প্রত্যয় থাকে তাহলে মা বাবাকে অবশ্যই বলা যেতে পারে।এজন্য প্রয়োজন সবার এবং মা বাবার প্রতি শ্রদ্ধার মনভাব।তাহলে দেখবেন আপনি বুঝাতে পারছেন। আর বাস্তবতা হচ্ছে নারীদের তিরিশ বছর পার হওয়ার আগেই বিয়ে করা উচিত।৩০বছর পার হয়ে গেলে পাত্র পাওয়া খুব কঠিন।

Share this Post