অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানকে কাঙ্খিত করণ

সন্তান যদি অনাকাঙ্ক্ষিত হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাকে কাঙ্ক্ষিত সন্তানের মতোই মমতা দিয়ে মানুষ করা হয়। এতে করে কিসে ঠিক মত সন্তান পালন করা হচ্ছে এক্ষেত্রে করণীয় কি?

আসলে অনেক সময় অনেক কিছু বলতে হয় না আপনার সন্তান অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল এটা সন্তানকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা কি? অনেক সময় মা-বাবা না বললেও কোনো আত্মীয়-স্বজন পরিবারের জন্য কেউ হয়তো কথা প্রসঙ্গে কতটা তাকে জানিয়ে দিলো।
 না জানলে এরকম তখন হয়তো তার ভিতর কষ্ট থাকে কিন্তু কষ্টের কারণ সে বুঝতে পারে না হয়তো জানার পর তো কষ্ট বেড়ে যায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সমস্যা শুরু হয়। তখন কাজে কারো জীবনে যদি এমন ঘটনাও ঘটে থাকে সচেতন থাকবেন সন্তান যেন জানতে না পারে আর সন্তানের প্রতি কর্তব্য পালন করা দরকার ক্ষমতা পালন করবেন সেটা দিয়ে তাকে লালন পালন করবেন।

আমার দুই ছেলে ।বড় ছেলে পঞ্চম  শ্রেণীতে পড়ে,ছোট জন সপ্তম শ্রেণীতে ।ছোট ছেলের জন্ম হয় অপ্রত্যাশিতভাবে ।মনের সাথে দ্বন্দ্ব করে ছোট ছেলের জন্ম হল। কিন্তু বর্তমানে বড় বড় ছেলের চেয়ে ছোট ছেলে সব দিক দিয়ে ভালো। কোন অসুবিধা দেখছিনা।

এটা খুব ভালো অসাধারণ ভাবে যেটা হয় সন্তানেরা শেষের দিকে যত যায় ততই তারা বুদ্ধিমান হয়। কারণ ততদিনে মা-বাবার ম্যাচুরিটি বাড়তে থাকে কেন বাড়তে থাকে পরে সন্তানদের প্রথম সন্তান আছে ।সাধারণভাবে বুদ্ধিমান নয় ।এদের লালন-পালন ও বুদ্ধিমত্তার সাথে করতে হয় সঠিকভাবে লালন না করলে তখন খারাপ দিকে খরচ হয়।

বিয়ের কয়েক মাস পর বুঝতে পারি আমি মা হতে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে দুজনে আনাড়ি ছিলাম আমরা দুজনেই তখন পড়াশোনা করছিলাম। এবং আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আমরা বাচ্চা নষ্ট করার চেষ্টাও করতে করতে পারিনি যে অসচ্ছলতার কারণে বাচ্চা নষ্ট করতে চেয়েছিল। দেখলাম বাচ্চা আসার পর আমাদের সবকিছুতে উন্নতি হচ্ছে। আপনি বলেন সন্তান যদি অপ্রত্যাশিত হয় তাহলে তার মতো অনিশ্চয়তার পথে আসবে। আমার মেয়েটির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে তার বয়স ২১ খুব ভাল ছাত্র হওয়া সত্বেও তার আত্মবিশ্বাস খুবই কম। এখন কি করতে পারি?

এটা তো সম্ভব কারণ এটা একটা গবেষণালব্ধ সত্য যে সন্তান মায়ের গর্ভে থাকার সময়ে তার চিন্তা চেতনা প্রভাবিত হয় মায়ের চিন্তা ভাবনা দ্বারা। পারিপার্শ্বিকতা দাড়ানো অবস্থায় যখন তার ফ্রেন্ড মেসেজ হয়েছে যে তাকে হত্যা করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। তখন থেকেই তার মধ্যেও অনিশ্চয়তার পথে গেছে।

তবে আজকের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির একটা কয়েকটা কারণ অবশ্যই হতে পারে। তবে অনুকূল পরিবেশ সঠিক দিক নির্দেশনা এবং ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়ার মানুষদের পাশে গেলে সে অবশ্যই এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে ।আর মেডীটিশন এখানে একটা অংশ হিসেবে কাজ করতে পারে কারণ আমরা সাধারন বাস্তবতার কথা বলছি রিলেশন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি যে কারো জীবনে নতুন বাস্তবতা সৃষ্টি করতে পারে।